বিজ্ঞানের অবদান ।

লেখকঃ সাদিয়া আফরিন

এই পৃথিবিতে বিজ্ঞানিদের অবদান অনস্বিকার্য। বিজ্ঞানিদের আবিস্কারের জন্যই আমাদের পৃথিবি এখন অনেক এগিয়ে গেছে,, তারা অক্লান্ত পরিস্রম করে বিভিন্ন আবিস্কার করে আমাদের এই পৃথিবিতে অনেক অবদান রেখেছে আর রাখছে। ডাক্তারা রোগিদের রোগ নির্নয়ের জন্য বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে।

সেই শব যন্ত্রপাতি আমরা বিজ্ঞানিদের অক্লান্ত পরিস্রমের ফলে পেয়েছি। আর প্রতিনিওতই নতুন নতুন প্রযুক্তি বিজ্ঞানীরা আবিস্কার করছে। উদাহরন – বিজ্ঞানি নিউটন গনিতের একটি শাখা কেলকুলাস আবিস্কার করেছেন। যার ফলে গনিতের অনেক কঠিন হিসাব আমরা সহজেই করতে পারি। বিজ্ঞানি রন্টজেন এক্স -রে আবিস্কার করেন। আইনস্টাইন তার থিওরী অব রিলেটিভিটি থেকে E=mc2 সুত্র বের করেন।

এই সুত্র ব্যবহার করে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ তৈরি করা হয়। আমাদের রুপপুরেও সেই রকম একটি নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ তৈরি করা হয়। শেন কুয়ো চুম্বক নিয়ে কাজ করেছেন এবং ভ্রমনের সময় কম্পাস ব্যবহার করে দিক নির্ধারনের করার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। যার ফলে আমরা দিক নির্ধারন করতে পারি। ১৫৪৩ সালে কপারনিকাস তার একটি বই এ সুর্যকেন্দ্রিক এক্তি সৌরজগতের ব্যক্ষা দেন। বিজ্ঞানিদের আবিস্কারের যাত্রা এত সহজ ছিল না।

সুর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রবক্তা হওয়াই তাকে চার্চের কোপানলে পরেছিলেন এবং শেস পর্যন্ত তাকে গৃহবন্ধি হইয়ে কাটাতে হয়। বিজ্ঞানীদের আবিস্কারের শেষ নেই। এখনো প্রতিনিওত বিভিন্ন যিনিস আবিস্ক্রিত হচ্ছে। এক্স-রে যন্ত্রপাতি আবিস্কারের ফলে খুব সহজেই শরিরের রোগ নির্নয় করা যায়। আজকের এই আধুনিক পৃথিবি তৈরির জন্য বিজ্ঞানিরাই দায়ই। বিজ্ঞানিরা যেমন মোবাইল, মাইক্রোসফট, স্যটেলাইট, টেলেভিশন, ইত্যাদি আবিস্কার করেছে। বলতে গেলে বিজ্ঞান আমাদের সব জায়গায় রইয়েছে। জিবনের প্রতি তা ক্ষেত্রেই বিজ্ঞান। আর যেখানেই বিজ্ঞান আছে, সেখানেই বিজ্ঞানের চর্চা আছে। এই চর্চা গবেশনা গারে করা হয় সেখানেই বিজ্ঞানিরা গবেশনা করে বিভিন্ন জিনিস আবিস্কার করছে। আর প্রতিনিওতই এর আবিস্কার বেরেই জাচ্ছে।

আমাদের পৃথিবি এর জন্যই সামনের দিকে আগিয়ে জাচ্ছে।নতুন নতুন কিছু আবিস্কারের ফলে আমরা নতুন নতুন কিছু পাচ্ছি। আর নিজেদের জিবনকে প্রভাবিত করছি। বলতে গেলে জিবনের সব ক্ষেত্রেই বিজ্ঞানকে আমরা ব্যবহার করি র নিজের সাম্নের দিকে আগিয়ে নিয়া যাই। প্রতিটা মানুষই হতে পারে এক এক জন বিজ্ঞানি, যদি সে চিন্তা করে সব কিছু পর্যবেক্ষন করে, আর সেই সব বিষয় নিয়ে গবেশনা করে। মূলত বিজ্ঞানই সকল বিষয় এর মুল ভিত্তি। বিজ্ঞানিদের জন্যই আমাদের জিবনের চলার পথ সুগম হয়।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *